কন্ট্রোল রুমের অফিসারদের সাথে পাইলটের ভুল সিগনালে বিমান দুর্ঘটনায় পতিত হলো

US BANGLA
Share with social media…
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  



কন্ট্রোল রুমের অফিসারদের সাথে পাইলটের ভুল সিগনালে বিমান দুর্ঘটনায় পতিত হলো । প্রাথমিত অবস্থায় বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে ।

কাঠমান্ডুতে ইউএস-বাংলা এয়ারলাইনসের একটি বিমান দুর্ঘটনায় অর্ধশতাধিক প্রাণ হারিয়ে গেছে। যথারীতি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। যেখানে বাংলাদেশেরেই প্রায় ৫০ জন । আর বাকীদের মধ্যে ১৩ জন নেপালী, ১ জন জাপান ও ১ জন চায়নার নাগরিক রয়েছেন । এতে একসময় বের হয়ে আসবে, হয় পাইলটের ভুল অথবা টাওয়ারের ভুল কিংবা ইঞ্জিনের ত্রুটি। আপাতদৃষ্টিতে এই তিনটি ভুলত্রুটির এক বা একাধিককে দায়ী মনে হলেও সামগ্রিকভাবে মুখ্য দায়ী এখানে অনুপস্থিত। সেই মুখ্য দায়ীকে চিহ্নিত করে ব্যবস্থা নিতে না পারলে দীর্ঘ মেয়াদে ফলাফল শূন্যই থেকে যাবে।

কোনো বিমান সংস্থাকে লাইসেন্স দেওয়ার অন্যতম শর্ত হলো, এর ‘অ্যাভিয়েশন ইনস্যুরেন্স’ করা থাকতে হবে। অ্যাভিয়েশন ইনস্যুরেন্স কোম্পানি চুক্তিতে যাওয়ার আগে নিজস্ব এক্সপার্ট দিয়ে বিমানের ইঞ্জিনের ধরন, বয়স, পাইলটদের দক্ষতা ইত্যাদি বিবেচনায় নিয়ে প্রথমত রিস্ক ম্যানেজমেন্ট করে নেয়। দ্বিতীয়ত, বিমানটি যে রাষ্ট্রের, সেই রাষ্ট্রের আইন অনুযায়ী ক্যারিয়ার লায়াবিলিটি তথা দুর্ঘটনায় আহত-নিহত ব্যক্তিদের ক্ষতিপূরণের নির্ধারিত অঙ্ক হিসেবে নেয়। মূলত এই ক্যারিয়ার লায়াবিলিটির জন্য বিমার অঙ্কই বিমান দুর্ঘটনা রোধে কার্যকর ব্যবস্থা হিসেবে ভূমিকা রাখে। কীভাবে?



Leave a comment

Your email address will not be published.


*