kidney disease protection

কিডনি প্রতিরোধে কি কি করণীয় জেনে নিন

Share with social media...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

হার্ট ডিজিজের কারণে কিডনি রোগ প্রতিরোধ করার জন্য আমরা কিছু বিষয়ে সচেতন হতে পারি। উচ্চ রক্তচাপ থাকলে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে। এভাবে রাখতে হবে সেটা যেন ১২০/ ৮০ এর মধ্যে থাকে। তেমনি যদি ডায়াবেটিস থাকে, সেটাকেও নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।

এওয়ানসি ছয় দশমিক পাঁচ থেকে সাত পর্যন্ত থাকে। ঠিক আমরা জীবন যাপনের ধরন বলতে যেটি বোঝাই,সেটি হলো প্রতিনিয়ত ব্যায়াম করা। বিভিন্ন গবেষণায় জানা গেছে, ব্যায়াম করলে ১৩ বছর পর্যন্ত আয়ু বাড়ে। নিয়মিত ব্যায়াম করা, নিয়মিত খাবার খাওয়া, খাবারের ক্ষতিকর যেসব বিষয় থাকে, সেগুলোকে এড়িয়ে যাওয়া এবং পরিমিত খাবার খাওয়া এগুলো করতে হবে। জীবন যাপনের ধরনকে যদি আমরা মেনে চলি তাহলে ১৩ বছর বয়স পর্যন্ত একটি সুস্থ জীবন যাপন করতে পারি।

কেউ যদি অন্তত ৩০ মিনিট করে সপ্তাহে পাঁচ দিনও হাঁটে, তাহলে হৃদরোগ বলেন, কিডনি রোগ বলেন আমরা অনেক প্রতিরোধ করতে পারি। পাশাপাশি ধূমপান কমালে টাকা বাঁচাতে পারি,আর ক্যানসারসহ অনেক রোগ প্রতিরোধ করতে পারি।

আমরা সবাই জানি ধূমপান ক্যানসার করে, তারপরও আমরা জানি যে ৪৭ ভাগ লোক ধূমপান করে। আমাদের খাবারের মধ্যে এমন উপাদান থাকতে হবে যেগুলো শরীরের উপকার করে। যেমন শাক সবজি, ফল প্রতিদিনই যেন থাকে। পরিমাণটা এমন হবে, আমাদের ওজন যেন বেড়ে না যায়। কখনো ওজন যদি বাড়ে তাহলে ডায়েট করে, ব্যায়াম করে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখতে হবে।  আমাদের মেজাজকে নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।

আমরা যদি সবসময় রেগে যাই, মেজাজকে নিয়ন্ত্রণে না রাখি, পাল্লা দিয়ে চলি, বেশি তাড়াতাড়ি যদি ধনী হতে চাই, সমাজে যদি অনেক প্রতিষ্ঠিত হতে চাই, চাপ নিই, তাহলে কিডনির ক্ষতি হচ্ছে, হার্টের ক্ষতি হচ্ছে। স্ট্রোক বাড়িয়ে দিচ্ছে। আমরা পরস্পরের জন্য যদি মঙ্গল কামনা করি, সবাই মিলে ভালো থাকার চেষ্টা করি, তাহলে দেখব সুস্থ থাকব।

আমাদের শরীরের গুরুত্বপূর্ণ একটি অঙ্গ হলো বৃক্ক বা কিডনি। শরীরের সার্বিক সুস্থতা বজায় রাখতে কিডনির যতœ নেয়া অত্যন্ত জরুরি। কিডনিতে সংক্রমণ (ইনফেকশন) মানবদেহের মারাত্মক রোগগুলোর মধ্যে একটি। কিডনি সংক্রমণকে মূলত ‘নীরব ঘাতক’ হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। কারণ খুব সমস্যা না হওয়া পর্যন্ত কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণগুলো তেমনভাবে প্রকট হয় না। যার ফলে অনেকাংশেই উপযুক্ত সময়ে চিকিৎসা শুরুই করা যায় না। এর ফলে রোগীর মৃত্যুর আশঙ্কাও বেড়ে যায়। তাই কিডনি ইনফেকশনের লক্ষণগুলো জেনে রাখা ভালো।
লক্ষণসমূহ
অতিরিক্ত তাপমাত্রায় জ্বর হওয়া। জ্বরের সাথে মারাত্মক কাঁপুনি হওয়া।
বমি বমি ভাব, বমি হওয়া এবং ডায়রিয়া। ক্ষুধা মন্দা ভাব। অতিরিক্ত দুর্বলতা অনুভব হওয়া। পিঠের নিচের অংশের একদিকে ও কুঁচকিতে ব্যথা হওয়া। ঘন ঘন প্রস্রাব আর প্রস্রাবের সময় জ্বালা করা। ঘোলাটে ধরনের প্রস্রাব হওয়া বা প্রস্রাবের সাথে রক্তপাত।
এ লক্ষণগুলো দেখা দেয়া মাত্রই যত দ্রুত সম্ভব চিকিৎসকের শরণাপন্ন হওয়া উচিত। কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধে তিনটি কার্যকরী ব্যবস্থাÑ
বেকিং সোডা : বেকিং সোডা আমাদের ইউরিনারি ট্র্যাক্ট অর্থাৎ মূত্রনালির অ্যালকালাইনের ভারসাম্য বজায় রাখতে সহায়তা করে। প্রতিদিন নিয়মিত এক গ্লাস (৩০০ মিলিলিটার) পানিতে এক চা-চামচ বেকিং সোডা মিশিয়ে পান করলে কিডনি ইনফেকশনের সমস্যা দূর করা সম্ভব।
রসুন : প্রতিদিন দুই-তিন কোয়া কাঁচা রসুন খাওয়ার অভ্যাস করতে পারলে ইনফেকশনের হাত থেকে কিডনিকে দূরে রাখা সম্ভব। রসুনের জীবাণুনাশক (অ্যান্টিমাইক্রোবিয়াল) উপাদান কিডনির সুস্থতার জন্য খুবই কার্যকরী।
অ্যালোভেরার রস : অ্যালোভেরার রস নানা সমস্যা থেকে মুক্তি দেয়। অ্যালোভেরার রস কিডনির ব্যাকটেরিয়াজনিত সংক্রমণের বিরুদ্ধে কাজ করে। তাই কিডনি ইনফেকশন প্রতিরোধে প্রতিদিন অন্তত এক গ্লাস অ্যালোভেরার রস পান করা উচিত।

Related Post

Related Posts

  • 82
    বর্তমান সময়ে ডায়াবেটিস একটি সাধারণ রোগ ।  অধিকাংশ মানুষকেই এ রোগে ভুগতে দেখা যায় । দিন দিন এ রোগের প্রকোপ বাড়ছে । কিশোর, যুবক, বৃদ্ধ কেউই রেহাই পাচ্ছে না এ রোগ থেকে ।  সময় থাকতে এ রোগ সম্পর্কে সচেতন থাকা উচিত ।  ডায়াবেটিস প্রতিরোধে কি কি করণীয় সে বিষয়ে আমাদের…
    Tags: প্রতিদিন, কি, ওজন, এক, ব্যায়াম, না, জেনে, রোগ, প্রতিরোধে, মধ্যে
  • 68
    চোখ একটি স্পর্শকাতর সংবেদনশীল অঙ্গ, যার সাহায্য আমার এই সুন্দর পৃথিবী দেখতে পাই, তার রূপ উপভোগ করি। চোখে দেখতে না পাওয়া মানুষের জীবনের সবচেয়ে বড় অভিশাপ। একটি পরিসংখ্যানে দেখা যায় বাংলাদেশে প্রায় ১৮ লক্ষ লোক অন্ধ যার প্রধান কারণগুরি নিম্নে বর্ণিত হলোঃ ছানিপড়া চোখের কর্ণিয়া ও আইরিসের পিছনে অবস্থিত স্বচ্ছ…
    Tags: রোগ, হতে, যায়, news, bangla, live, bd, breaking, জেনে, bdnews

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *