ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সারাদেশ

ডেঙ্গুতে আক্রান্ত সারাদেশ – প্রতিকারে একের পর এক পদক্ষেপ

Share with social media...
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

সারাদেশে ডেঙ্গুর প্রকোপ বেড়েই চলেছে । এ পর্যন্ত ২৪ হাজারের বেশী ডেঙ্গু রোগী হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন । প্রায় প্রতিদিনেই মারা যাচ্ছে বিভিন্ন জেলায় ৩-৫ জন ।

এদিকে ঢাকায় ডেঙ্গুর প্রকোপ কমছেইনা । প্রতিদিনই হাসপাতাল গুলোতে ডেঙ্গু রোগীর ভিড় বাড়ছে । ডেঙ্গু মোকাবেলায় বিশেষজ্ঞরা যখন সমন্বিতভাবে কার্যক্রম চালানোর পরামর্শ দিচ্ছেন তখন মশা নিধন কীভাবে হবে, সে বিষয়ে এখনও একমত হতে পারেননি ঢাকার দুই মেয়র।

আইসিডিডিআর,বি’র গবেষণায় মশা নিধনে ‘ওষুধ কাজ না করার’ বিষয়টি সামনে আসার পর এ নিয়ে আলোচনার মধ্যে নতুন কার্যকর ওষুধ আনতে তাগাদা দেয় উচ্চ আদালত। নতুন ওষুধ আনার দায়িত্বও দেওয়া হয়েছে সিটি করপোরেশনকে।

ডেঙ্গুর ভয়াবহ বিস্তারের পেছনে গলদ খুঁজে বের করার এই আলোচনার প্রথমেই মশা নিধনের ওষুধের কার্যকারিতার প্রসঙ্গ আসে।

অকার্যকর ওষুধ নিয়ে আইসিডিডিআর,বির সঙ্গে আমার দ্বিমত ছিল। যে ওষুধ এখন আমরা ব্যবহার করি সেটা ৯৯ দশমিক ৪০ শতাংশ কেরোসিনের সঙ্গে শুন্য দশমিক ২ শতাংশ পারমেথ্রিন, শুন্য দশমিক ২ শতাংশ টেট্রামেথ্রিন এবং শুন্য দশমিক ২ শতাংশ অ্যালেথ্রিন। আইসিডিডিআর,বি পারমেথ্রিনকে অকার্যকর বলেছে। এটা হচ্ছে কিলিং এজেন্ট। আমি বলেছি, এই ওষুধের একটা অংশ অকার্যকর। পুরোপুরি অকার্যকর নয়।”

সাঈদ খোকন বলেন, গবেষকরা গবেষণাগারে পরীক্ষা করেছেন, তিনি করেছেন মাঠ পর্যায়ে। “আমি গবেষক নই। আমি রাজনীতিবিদ, আমি মশা ধরেছি, খাঁচার ভেতর ভরে ওষুধ স্প্রে করেছি। ফিল্ড টেস্টে দেখেছি ৮৫ শতাংশ মশা মরে। এ কারণে আমরা নতুন ওষুধ আনার আগ পর্যন্ত এটাই ব্যবহার করছি।”

অন্যদিকে উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম বলেন, পূর্ণ বয়স্ক এইডিস মশার ওপর ওষুধের পরীক্ষায় ভালো ফল পাননি তিনি।

“আমরা আমদানিকারকের কাছ থেকে ওষুধটা নিয়ে এসেছিলাম। মশারির ভেতর মশা রেখে ওষুধটা প্রয়োগ করেছি। দেখেছি মশা ‘নক ডাউন’ করে নাই। এটা ছয় মাস আগের কথা। আমরা ওই কোম্পানির কাছ থেকে ওষুধ নেওয়া বাদ দিয়েছি। পরে অন্য একটা কোম্পানি থেকে ওষুধ নিয়ে দেখেছি, সেটা এখন কার্যকর আছে।”

বাড়ি বাড়ি গিয়ে লার্ভা ধ্বংসের মাধ্যমে এইডিস মশা নিয়ন্ত্রণে আনা যাবে বলে মনে করছেন দক্ষিণের মেয়র সাঈদ খোকন। তিনি বলেন, তারা অভিযান শুরু করার পর ইতোমধ্যেই এর ফল পাওয়া শুরু করেছে লোকজন।

অন্যদিকে উত্তরের মেয়র আতিকুল ইসলামের কাছে সবার বাড়ি বাড়ি গিয়ে ডেঙ্গুমুক্ত করা ‘কঠিন কাজ’।

বিভিন্নভাবে জনসচেতনতা বৃদ্ধি ছাড়াও ডেঙ্গু নিমুর্লে চলছে আন্তজার্তিক মহলেও নানা প্রচেষ্টা ।