সাকিবের প্রতি আমার অগাধ সম্মান, বললেন সিকান্দার রাজা

সিকান্দার রাজা, সাকিব আল হাসান
Share with social media…
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  
  •  

পাকিস্তান বংশোদ্ভূত ৩১ বছর বয়সী এই সুদর্শন অলরাউন্ডার তার ব্যাটিং ও বোলিং নৈপুণ্যে দেশেতো বটেই মুগ্ধতা ছড়িয়েছেন দেশের বাইরেও। টেস্ট ক্রিকেটে ২০১৩ সালে অভিষেক হওয়ার পর এই পর্যন্ত খেলেছেন মাত্র ১০টি ম্যাচ। এর মধ্যে একটি সেঞ্চুরিও আছে। গড়ও ভালো (৩৮.১০)। একই বছর ওয়ানডেতে অভিষিক্ত এই ব্যাটিং অলরাউন্ডার এরই মধ্যে ম্যাচ খেলেছেন ৭২টি। সেঞ্চুরি হাঁকিয়েছেন ৩টি। গড় ৩৪.৬৮।

ব্যাটে রান পাচ্ছেন। বল হাতে পাচ্ছেন উইকেটও। ব্যাটে বলে তার এমন ধারাবাহিক পারফরম্যান্সেও অনেকেই তাকে ‘জিম্বাবুয়ের সাকিব আল হাসান’ বলে মনে করেন।

কিন্তু বিনয়ী রাজা তা মোটেও মনে করেন না। বরং সাকিবকে দেখে তিনি ক্রিকেটের অনেক কিছুই শেখেন। ত্রিদেশীয় সিরিজ খেলতে এসে বাংলানিউজকে দেয়া এক সাক্ষাৎকারে সেকথাই বললেন। বলেছেন আরও অনেক কিছুই। পাঠকদের জন্য তা তুলে ধরা হলো।

নিঃসন্দেহে আপনি বাংলাদেশে আসতে পছন্দ করেন। এদেশে আপনার অসংখ্য বন্ধু আছে। এখানে আসতে পারাটা কেমন?

সিকান্দার: আমি খুবই স্বাচ্ছন্দ্য বোধ করি। বিসিবি আমাদের জন্য সুব্যবস্তা রাখে এবং ক্রিকেটীয় বিবেচনায় এদেশের সুযোগ সুবিধাগুলো অসাধারণ। তাছাড়া ক্রিকেট ও ক্রিকেটের বাইরে এদেশে আমার অসংখ্য বন্ধু আছে। এটা সবসময়ই দারুণ।

এই মুহূর্তে আপনি ব্যাটে বলে ধারাবাহিক পারফর্ম্ করছেন। কখনও কখনও এমন শোনা যায় যে আপনিই হচ্ছেন জিম্বাবুয়ের সাকিব আল হাসান। বিষয়টিকে কীভাবে দেখেন?

সিকান্দার: না, না। দেখেন, সাকিবের প্রতি আমার অগাধ সম্মান। সে বাংলাদেশকে অনেক দুর্লভ এক একটি অর্জন এনে দিয়েছে। শুধু আমিই না পুরো ক্রিকেট দুনিয়া একথা নির্দ্বিধায় স্বীকার করে যে সে বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার। আমি কখনওই এটা পছন্দ করবো না কেউ আমাকে জিম্বাবুয়ের সাকিব নামে সম্বোধন করুক। সাকিব একজন গ্রেট পারফরমার। সে এমনই একজন ক্রিকেটার যার কাছ থেকে সবসময়ই শেখার আছে।

ইদানিং আমরা দেখছি আপনি মিডল অর্ডারে ব্যাটিং করলেও সমসময়ই আপনার ভেতরে একটি আগ্রাসী মনোভাব দৃশ্যমান। নিজেকে এভাবে গড়ে তুলতে আপনি কী কী কাজ করেছেন?

সিকান্দার: আমার মনে হয় অভিজ্ঞতা একটা বড় ব্যাপার। তার ওপর সম্প্রতি বাংলাদেশ সফরগুলোও এই ক্ষেত্রে আমাকে বেশ সহায়তা করেছে। টেকনিক্যাল বিষয়ের পাশাপাশি মানসিক একটি বিষয় কিন্তু এমন ব্যাটিংয়ে সাহায্য করে। তার চাইতেও বড় বিষয় হলো ম্যাচ সিচুয়েশন। আমার মনে হয় সিচুয়েশন বুঝে ব্যাটিং করি বলেই এমন হয়।

এই মুহূর্তে জিম্বাবুয়ে দলে টাটেন্ডা টাইবু প্রধান নির্বাচক, হিথ স্ট্রিক হেড কোচ। তাছাড়া অভিজ্ঞ ব্রেন্ডন টেইলর এবং জার্ভিসও দলে ফিরেছে। আপনার কি মনে হয় এখন জিম্বাবুয়ে সঠিক অবস্থায় আছে?

সিকান্দার: অবশ্যই তাই। হিথ ও টাইবু জুটি আমাদের বিশ্বমানের কিছুই শেখাবে। এছাড়া আমাদের চেয়ারম্যান তাভেঙ্গা মুকুলানি এবং ব্যবস্থাপনা পরিচালক ফ্যাজেল জুটিও জিম্বাবুয়েকে বর্তমান অবস্থায় আনতে ভূমিকা রেখেছে। এটা সবাই জানে কিছুদিন আগেও আমরা কঠিন সময় পার করছিলাম। কিন্তু তারা আমাদের একটি সুসংগঠিত অবস্থানে এনে দিয়েছেন। এতে করে আমরা নির্ভার হয়ে খেলতে পারছি এবং আমাদের কাজে ফোকাস করতে পারছি।

আপনার দলের প্রতিটি সদস্যই দিন দিন উন্নতি করছেন। একজন ক্রিকেটার হিসেবে সামনে আপনি নিজেকে কোথায় দেখতে

Leave a comment

Your email address will not be published.


*